বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতার আলোকে
ইসলামি রুকইয়া (শেফা)
🌿 পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে আরোগ্য লাভের পদ্ধতি অনুসরণ করে আধ্যাত্মিক পন্থায় নিম্নলিখিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়—
❄️ শিশু সমস্যা, রাতে ভয় পাওয়া, হঠাৎ চিৎকার করা থেকে মুক্তির আমল
❄️ পারিবারিক দ্বন্দ্ব/ঝগড়া সমাধানের চেষ্টা
❄️ জ্বীনের আছর, বদনজর থেকে মুক্তির চেষ্টা
❄️ কালোজাদু/ছিহর বা বান থেকে মুক্তি, বাড়ি বা শরীর বন্ধকরণ ইত্যাদি
❄️ স্বামী/স্ত্রী সংক্রান্ত: সুসম্পর্ক স্থাপন, পরকিয়া থেকে বিরত রাখা ও ভালো কাজে সাহায্য করা ইত্যাদি
❄️ বিয়ে বন্ধ করে রাখার জাদু/ছিহর কাটা
❄️ শত্রু দমন/শত্রুর অত্যাচার থেকে মুক্তির চেষ্টা/আমল, কাজে উন্নতি, ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতির আমল ও চেষ্টা , পারিবারিক দ্বন্দ্ব বা অশান্তি থেকে মুক্তির জন্য
❄️ জমি-জমা নিয়ে দ্বন্দ্ব ও ব্যবস্যা সংক্রান্ত,
❄️ সন্তান হওয়ার আমল, পুত্র বা মেয়ে সন্তান হওয়ার আমল, অবাধ্য সন্তানকে আয়ত্তে আনার চেষ্টা ও আরো অন্যান্য ভালো কাজের জন্য চেষ্টা ও আমল।
ইসলামি রুকইয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস:
২. আল্লাহর নামে রুকইয়া করার দোয়া:
উসমান ইবন আবুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত:
“তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে একটি শারীরিক কষ্টের অভিযোগ করলে তিনি বললেন, ‘তোমার কষ্ট যেখানে অনুভব কর, সেখানে হাত রাখো এবং বলো:
‘بِسْمِ اللَّهِ’ তিনবার, তারপর সাতবার বলো:
‘أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ।’
(অর্থ: আমি আল্লাহর মর্যাদা ও ক্ষমতার আশ্রয় গ্রহণ করছি, যা কিছু আমাকে কষ্ট দিচ্ছে এবং যার ভয় পাচ্ছি তা থেকে।)”
(সহিহ মুসলিম: ২২০২)
৩. হযরত হাসান এবং হুসাইন (রাঃ)এর জন্য রুকইয়া:
ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত:
“রাসূলুল্লাহ (সা.) হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর জন্য দোয়া করতেন এবং বলতেন:
‘أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ।’
(অর্থ: আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর পরিপূর্ণ শব্দসমূহ দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করছি, প্রতিটি শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং ক্ষতিকর দৃষ্টির থেকে।)”
(সহীহ বুখারি: ৩৩৭১)
৪. রুকইয়ার শর্ত:
আউফ ইবন মালিক আল-আশজাই (রা.) বলেন:
“আমরা রুকইয়ার অনুমতি চাইলে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘রুকইয়া করতে পারো, তবে তাতে শিরকের কিছু যেন না থাকে।'”
(সহীহ মুসলিম: ২২০০)
৫. রুকইয়ার মাধ্যমে শিফা:
আনাস ইবন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত:
“রাসূলুল্লাহ (সা.) অসুস্থদের ওপর রুকইয়া পড়তেন এবং বলতেন:
‘اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ، مُذْهِبَ الْبَاسِ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شَافِيَ إِلَّا أَنْتَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا।’
(অর্থ: হে মানুষের প্রভু! রোগ দূরকারী! আপনি শিফা দান করুন, আপনিই প্রকৃত শিফাদাতা। আপনার শিফা ছাড়া অন্য কোনো শিফা নেই। এমন শিফা দান করুন যা কোনো রোগ রেখে যাবে না।)”
(সহীহ বুখারি: ৫৭৪২)
৬. রুকইয়া কুরআন ও হাদিসের আয়াত দ্বারা হতে হবে:
“একদা সাহাবিদের মধ্যে কেউ একটি বিষাক্ত প্রাণীর কামড়ের চিকিৎসায় সুরা আল-ফাতিহা পড়ে ফুঁ দেন, এবং সেই ব্যক্তি আরোগ্য লাভ করে। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে অনুমোদন দেন।”
(সহীহ বুখারি: ৫৭৩৬)
রুকইয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটি কুরআন ও সহীহ হাদিসের ভিত্তিতে হতে হবে এবং এতে কোনো শিরক বা বিদআত থাকা যাবে না।
💦 যোগাযোগঃ
সরাসরি আসতে— চেম্বার
ঠিকানা: নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা।
📞 +88 01841771606
ফেসবুক পেইজঃ ইসলামি রুকইয়াহ -শেফা